Wednesday, April 20, 2016

সুস্বাদু ২0 পদের ভর্তা !

special bangla recipe/সুস্বাদু ২0 পদের ভর্তা
সুস্বাদু ২0 পদের ভর্তা  
বাঙ্গালীদের কাছে ভর্তা অনেক জনপ্রিয় একটা খাবার। ভর্তা কথাটা শুনলে জিভে জল চলে আসে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া বেশ কঠিন। আমরা সবাই কম বেশি ভর্তা বানাতে জানি। নিচে ২0 পদের মজাদার ভর্তার রেসিপি দেয়া হল।

♣ বেগুন ভর্তা:
উপকরণ: বড় গোলবেগুন ১টি, সরিষা বাটা ১ চা চামচ, নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ, টমেটো কুঁচি১ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ, মেথি আধা কাপ, রাধুনী সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।

♣ মসুর ডালের ভর্তা:
উপকরণ: মসুর ডাল ১ কাপ, পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ কাপ, রসুন কুঁচি আধা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ২টি, তেল ১ চা চামচ।
প্রণালী: সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।

♣ টমেটো ভর্তা:
উপকরণ: ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী: শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠা-া হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।

♣ টাকি মাছের ভর্তা:
উপকরণ: টাকিমাছ ১ কাপ,পেঁয়াজ,সøাইস ৩ টে.চা ,আদা,রসুন,বাটা ১ চা. চা,পেঁয়াজ পাতা ২ টে. চা ,জিরা,বাটা ১ চা. চা,রসুন,ছেঁচা ২ টে. চা,ধনে,বাটা ১ চা. চা ,লবণ,স্বাদ অনুযায়ী,হলুদ,বাটা ১/২ চা. চা ,মরিচ,বাটা ১ /২ চা. চা
প্রণলী: মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১ কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে নেড়ে নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়।এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।

♣ কালিজিরা ভর্তা:
উপকরণ: কালিজিরার আধা কাপ, রসুনের কোয়া ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৮টি, পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালী: রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে ভর্তা করুন।

♣ আলু ডিম ভর্তা :
উপকরণ: ডিম ২টি, আলু ১টি (মাঝারি সাইজের), কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন।

♣ পালংশাক ভর্তা:
উপকরণঃ পালংশাক ২০০ গ্রাম , কাঁচা মরিচ/ শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ। লবণ ও সরিষার তেল -নিজের পছন্দ মত।
প্রণালীঃ প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি, মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন। তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। শীতের দিনে গরম গরম ভাতের সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।

♣ লাউশাক ভর্তা:
উপকরণ: লাউয়ের পাতা ৬-৭টা, নারকেল কুড়ানো ৪ চা চামচ, সরিষা ২ চা চামচ, সেদ্ধ কাঁচামরিচ ২টা, প্রয়োজনমতো লবণ।
প্রণালী: লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন। শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার নারকেল কুড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

♣ কাচকি মাছ ভর্তা
উপকরণ: কাচকি মাছ এক কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ২ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৪টি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ, পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প তেলে কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন। ভাজা হলে লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে পাটায় বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

♣করল্লার ভর্তা:
করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে নিন। এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে পেঁয়াজ, কাচা মরিচ, লবন এবং তেল দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।

♣ ছুরি শুঁটকি ভর্তা :
উপকরণ: ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।
প্রণালী: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

♣ ধনেপাতার চাটনি:
উপকরণ: টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন ২ কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ। কাঁচামরিচ ১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।

♣ সরিষা ভর্তা:
উপরকণ: লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।

♣ কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা:
উপকরণ : কাঁচকলা ২টি (মাঝারি), ভাজা ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো), শুকনো মরিচ ভাজা ২টি, কাঁচামরিচ কুচি ২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২ চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন। এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে কাঁচকলা দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।

♣ কচু নারকেল ভর্তা:
উপকরণ : কচু কিমা ১ কাপ, নারকেল বাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি, সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি অল্প পরিমাণ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : প্রথমে এক টুকরো কচুকে পুড়িয়ে বা সেদ্ধ করে ভালো করে মাখিয়ে কিমা তৈরি করুন। একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে বাদামি করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও নারকেল বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল ভর্তা।

♣ থানকুনি পাতার ভর্তা:
উপকরণ : থানকুনি পাতা ১ কাপ, কাঁচামরিচ ২টি, রসুনের কোয়া ২টি, লবণ স্বাদ মতো, তিল ২ টেবিল চামচ, কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালি : সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

♣ পেঁয়াজ পাতা ভর্তা:
উপকরণ: ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ পাতা ২ কাপ,সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ,পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,শুকনামরিচ ২টি,কাশুন্দি ১ চা চামচ,লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন। পেঁয়াজপাতা নরম হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার শুকনামরিচ, পেঁয়াজ কুচি ও লবণ ভালোভাবে ডলে পেঁয়াজ পাতা ও কাশুন্দি দিয়ে হালকাভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন। গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা খেতে মজা ।

♣ লাউ এর সিলকা ভর্তা :
উপকরণ: লাউ এর সিলকা-৩ কাপ, শুকনা মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি, লবণ-পরিমাণ মতো, ধনে পাতা-সিকি কাপ, পিঁয়াজ কুচি-সিকি কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর সিলকা ভর্তা।

♣ চিনাবাদাম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া) ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

♣ মিষ্টি কুমড়ার ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, পানি ১ কাপ, ধনেপাতা কুঁচি, ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।
প্রণালী: মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। হয়ে গেল মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

Tuesday, April 19, 2016

খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু

খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু
খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু

উপকরণ:

নারিকেল আধাবাঁটা ২ কাপ,
 খেজুর গুড় ৪ কাপ, 
ঘি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী:

প্যানে ঘি দিন। যাতে নারিকেল দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তলায় ধরে না যায়। এরপর আস্তে আস্তে নারিকেল ঢেলে দিন। এরপর গুড় দিন। একদিকে নাড়তে থাকুন, একটু পর গুড় গলে আসবে এবং নারিকেল পাক ধরবে। আঠালো ভাব ও সুন্দর গন্ধ বের হলে নামিয়ে ফেলুন। গরম থাকা অবস্থায় নাড়ুর আকার বানিয়ে পরিবেশন করুন।

শুধুমাত্র ১০ মিনিটেই তৈরি করুন সুস্বাদু চকলেট কেক

  special bangla recipe চকলেট কেক
 চকলেট কেক
বাসায় মেহমান আসবে, এদিকে খাওয়ানোর কিছু নেই। না, দৌড়ে দোকানে যেতে হবে না। হাতের কাছে মজুদ কয়েকটি জিনিস দিয়ে মাত্র ১০ মিনিটেই আপনি তৈরি করে ফেলতে পারবেন দারুণ সুস্বাদু চকলেট কেক, তাও চকলেট টপিং সহ! হ্যাঁ, শুনতে ম্যাজিকের মত শোনালেও এটা আসলে সম্ভব বিনা কষ্টেই। একদম নরম, মোলায়েম আর চকলেটি হবে আপনার এই ১০ মিনিট চকলেট কেক!

উপকরণ:

 ১ কাপ চিনি
 ২ কাপ ময়দা
 ২ চা চামচ বেকিং পাউডার
 ১/৪ কাপ কোকো পাউডার
 ২ টা ডিম
 ৩/৪ কাপ দুধ
 ১২৫ গ্রাম মাখন
ওপরে টপিং এর জন্য লাগবে- ভালো কোন ব্র্যান্ডের চকলেট সস

প্রণালি:

একটি ব্লেন্ডার নিন। তারপর এতে মাখন ও ডিম দিয়ে খুব ভালো করে বিট করুন এক মিনিট।
চিনি যোগ করুন এবং আরও ১ মিনিট বিট করুন।
এই ফাঁকে সমস্ত শুকনো উপাদান মিশিয়ে নিন। চালনি দিয়ে চেলে নিন।
এবার বিট করা ডিমের মিশ্রণ শুকনো উপাদানের সাথে মিশিয়ে দিন।
মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দিতে পারবেন এমন কোন ছড়ানো ডিশে মাখন মাখিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে নিন। কেকটা খুব বেশী পাতলা হবে না, একটু পুরু রাখবেন।
এবার হাই হিটে ৭ থেকে ৮ মিনিট বেক করুন। বের করে টুথপিক দিয়ে চেক করে দেখুন হয়েছে কিনা। নাহলে আরও ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট দিন। অবশ্য এই কেক ভেতরে একটু নরম থাকলেই খেতে ভালো লাগে বেশী।
কেক বের করে ঠাণ্ডা হতে দিন কিছুক্ষণ। তারপর হালকা গরম থাকতেই ফ্রিজে রাখা ঠাণ্ডা চকলেট সিরাপ ছড়িয়ে দিন। এতে কিছু সিরাপ কেকের ভেতরে ঢুকে যাবে আর আপনার কেক্কে করে তুলবে অসাধারণ মজার।
আপনি চাইলে কেকের ওপরে ব্যবহার করতে পারেন গলিত চকলেট বা চকলেট ক্রিম। কেক সাজানোর জন্য ব্যবহার করুন কলা, চেরি বা আপনার পছন্দের যে কোন ফল ও বাদাম।

Thursday, April 07, 2016

রসুনে তিতা করলা

রসুনে তিতা করলা

উপকরণঃ

 করলা ৩,৪টি।

আলু ২টি।

মাঝারি আকারের পেঁয়াজকুচি ১ কাপ।

রসুনকোয়া ১০,১২টি (মাঝখানে কেটে ভাগ করে নিন)।

 হলুদগুঁড়া সামান্য।

 লবণ স্বাদ মতো।

 তেল ১/৪ কাপ।

 কাঁচামরিচ ৪,৫টি।

পদ্ধতি:

করলা কেটে লবণ মাখিয়ে রেখে, ৩০ মিনিট পর ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। আলু কেটে নিন। প্যানে তেল, রসুন দিয়ে বাদামি করে ভাজুন। এতে পেঁয়াজকুচি, করলা, আলু, হলুদ আর লবণ দিন। ভাজা ভাজা হলে নামিয়ে নিন।

গরমে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা বাঙ্গির শরবত তৈরির সহজ রেসি

ঠাণ্ডা বাঙ্গির শরবত

উপকরণ:

বাঙ্গির ২ কাপ (কিউব করে কাটা)
চিনি ১ টেবিল চামচ
লেবুর রস ১ চা চামচ
বরফ কিউব পরিমাণমতো
বিট লবণ এক চিমটি ( না দিলেও
বরফ কুচি (পরিবেশনের জন্য)
পুদিনা পাতা (ইচ্ছা)

মজাদার চিকেন ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং তৈরির সহজ রেসিপিঃ

চিকেন ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং


মুরগির মাংসে তৈরি ফ্রাই, কারী, নুডলস খেতে খেতে বিরক্তি এসে গেলে তৈরি করতে পারেন খুব অন্যরকম একটি খাবার, ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং। দেখতে যেমন অসাধারণ, তেমনি খেতেও দারুণ। আর তেলে ভাজা হয় না বলে দারুণ স্বাস্থ্যকরও বটে!চলুন দেখে নেই বিস্তারিত রেসিপিটিঃ

উপকরণঃ

 মুরগির মাংসের কিমা এক কাপ
  পৌনে এক কাপ চাল, পানিতে ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে এরপর পানি ঝরিয়ে রাখা
 লবণ স্বাদমতো
 গোলমরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো
  সয়াসস দেড় চা চামচ
  ২-৩ টা পিঁয়াজকলি কুচি করা
  এক চা চামচ আদা কুচি
  এক চা চামচ রসুন কুচি
 কয়েকটা লাল কাঁচামরিচ কুচি

প্রণালীঃ

△  প্রথমে একটি পাত্রে চাল বাদে বাকি সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিন। ঝাল খেতে চাইলে কয়েকটা মরিচ দিন। নয়তো একটি মরিচের কুচিই যথেষ্ট।

△ একটি ছড়ানো প্লেটে ভেজা চালগুলো ঢেলে নিন। এরপর কিমার মিশ্রণ দিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে সেগুলো চালে গড়িয়ে নিন। তৈরি হলো ডাম্পলিং।

△ এরপর আপনার স্টিমার বা ভাপ দেবার পাত্র ঠিক করুন। কিমার বলগুলোকে রাখার আগে ঝাঁঝরির ওপর কয়েকটা বাঁধাকপির পাতা রেখে নিতে পারেন তাতে এগুলো পাত্রের গায়ে লেগে যাবে না। ৬-৮ মিনিটের জন্য ভাপে দিয়ে রাখুন ডাম্পলিংগুলোকে।

△ ভাপ দেওয়া হলে নামিয়ে চাটনির সাথে পরিবেশন করুন ধবধবে সাদা ফুলের মতো চিকেন ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং।

মজাদার ও সুস্বাদু মেয়নিজ তৈরির সহজ রেসিপিঃ

special bangla recipe/সুস্বাদু মেয়নিজ

সুস্বাদু মেয়নিজ

উপকরণ:

ডিম ২ টা,
ভেজিটেবল ওয়েল বা অলিভ ওয়েল ১ কাপ ( এর মধ্যে ১ টে- চামুচ সরিষার তেল হবে ),
লবন সামান্য,
চিনি ১ চা- চামুচ,
সাদা সরিষাবাটা আধা চা- চামুচ,

সুস্বাদু মজাদার ডিমের লেয়ার পুডিং তৈরির সহজ রেসিপিঃ

special bangla recipe/ডিমের লেয়ার পুডিং

ডিমের লেয়ার পুডিং 

পুডিং নিঃসন্দেহে একটি মজাদার খাবার। বিকালের নাস্তার বা বাচ্চাদের টিফিনে ডিমের পুডিং জনপ্রিয়। বাচ্চারা ডিম খেতে না চাইলে ডিমের পুডিং বানিয়ে দিলে মজা করে খায়। ফলে ডিমও খাওয়া হয়ে যায়। আপনার পছন্দের এই ডিমের পুডিং কে আরো মজাদার করার জন্য আজ একটি নতুন রেসিপি নিয়ে এসেছি। লেয়ার পুডিং !এখানে তিনটা লেয়ার দেখানো হলো। আপনি চাইলে আরো কম বেশি করে নিতে পারেন নিজের সুবিধা মতো।

উপকরণ :

ডিম ৪টি।
চিনি ১ কাপ।
পানি ১ কাপ।
ফুড কালার( ইচ্ছানুযায়ী কয়েক কালার নিতে পারেন)।
কেরামেল ১ টেবিল-চামচ।
গুঁড়া দুধ ১ কাপ।
ভ্যানিলা এসেন্স কয়েক ফোটা


প্রস্তুত প্রণালি: 

ডিম, চিনি, পানি ভ্যানিলা এসেন্স ও গুঁড়া দুধ একসঙ্গে ৫ মিনিট বিট করে নিন।বিট করার পর মিশ্রণটি ৩টি আলাদা পাত্রে রাখুন।এখানে তিনটি লেয়ার করা হয়েছে তাই তিনটি পাত্রে আলাদা করে রাখা হয়েছে।আপনি যে কয়টা লেয়ার দিতে চান ততোটা পাত্রে আলাদা করে ভাগ করে রাখবেন।

প্রতিটি পাত্রের মিশ্রণের সঙ্গে একেকটা ফুড কালার মেশান। ২ থেকে ৩ মিনিট কাঁটা-চামচ দিয়ে নেড়ে নিন।যে পাত্রে পুডিং জমাবেন সেই পাত্রে চিনি এবং অল্প ঘি ছিটিয়ে ১ মিনিট চুলায় বসিয়ে ক্যারামেল তৈরি করে নিন।এই পাত্রে প্রথমে ভাগ করে রাখা মিশ্রণ হতে একটি পাত্রের মিশ্রণ ঢেলে দিন। একে চুলায় বসিয়ে ১০ মিনিট ডাবল স্টিম করুন।

পুডিং তৈরি হয়ে গেলে এরপর অন্য পাত্রের মিশ্রণটি হয়ে যাওয়া পুডিংয়ের উপর দিয়ে আবারও স্টিম করুন ১০ মিনিট।এভাবে একটা একটা করে প্রতিটা লেয়ার তৈরি করে নিন।সব লেয়ার হয়ে গেলে পুডিং ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

টিপসঃ

চুলায় স্টিম করতে একটি বড় পাত্রের মধ্যে পানি দিয়ে এর মধ্যে স্টিলের একটি স্ট্যান্ড বসবেন। স্ট্যান্ডের উপর পুডিং এর পাত্র বসাবেন।এরপর চুলা জ্বলিয়ে দিবেন। পুডিং পাত্রের মুখ ভালো করে বন্ধ করে নিবেন তাহলে কম সময়ে পুডিং তৈরি হয়ে যাবে।

স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে আপনি চকলেট সিরাপ বা বিভিন্ন ফ্লেভার এ্যাড করতে পারেন প্রতিটা লেয়ারে।
বাচ্চাদের খাবার জন্য ইম্প্রেস করতে চাইলে এভাবে কয়েকটা লেয়ার করে রেইনবো বানাতে পারেন।

আমের কাশ্মিরি আচার:

 special bangla recipe/আমের কাশ্মিরি আচার

 আমের কাশ্মিরি আচার


আসছে আমের মৌসুম তাই আচার তৈরির ধুম লেগে যাবে। বিশেষ করে আমের। ঝাল আর টক আচারটাই আমের ক্ষেত্রে বেশি তৈরি করা হয়, তবে মিষ্টি আচারও কিন্তু দারুণ হয় আম দিয়ে।তাই Special Bangla Recipe আজ আপনাদের জন্য আমের মিষ্টি কাশ্মিরি আচারের দারুণ সহজ রেসিপি নিয়ে হাজির! চলুন, জেনে নিই  চটজলদি ‘আমের কাশ্মিরি আচার’ আচারের রেসিপিটি:

উপকরণঃ

কাঁচা আম ১০ /১২ টি,

চিনি মিষ্টি অনুযায়ী সিরকা ২ কাপ,

আদা কুচি ১ টেবিল চামচ,

শুকনা মরিচ মিহি কুচি ১ চা চমচ,

প্রণালীঃ

আমের খোসা ফেলে লম্বা ফালি ফালি করে কেটে চুন বা ফিটকারির পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন ১/২ ঘন্টা।
তারপর ভালোকরে পানি ঝড়িয়ে নিবেন।
একটি ডেকচিতে আম চিনি ও সিরকা দিয়ে বসিয়ে দেবেন।
চিনির পানি গলে যাবার পর আদাকুচি দেবেন। -আমের রং সোনালি হলে শুকনা মরিচ বিচি ফেলে চিকন করে কেটে   দেবেন।
চিনির পানি শুকিয়ে আম সোনালি গ্লেইজ আসলেই বুঝতে হবে আচার হয়ে গেছে।
এবার কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করুন।

মজাদার ভিন্ন স্বাদে ঝাল পাটিসাপটা

special bangla recipe/jhal pati-sapta
 ঝাল পাটিসাপটা

পাটিসাপটা এক মজার পিঠা যা সবাই খুব পছন্দ করে তবে অনেকেই আছেন যারা মিষ্টি খুব একটা খেতে পারেন না। আবার সব সময় মিষ্টি জাতীয় কিছু খেতে ভাল লাগে না। তাহলে জেনে নিন  ভিন্ন স্বাদে মজাদার ঝাল পাটিসাপটার রেসিপিটিঃ

উপকরণ :

রুটি:

   ►ময়দা ২ কাপ
   ►তেল বা মাখন ২ টেবিল চামচ
   ►লবন প্রয়োজন মত
   ►বেকিং পাওডার ১ চা চামচ
   ►চিনি ১ চা চামচ
   ►ডিম বড় ২ টি
   পানি প্রয়োজন মত
   দুধ ২ টেবিল চামচ
   ►পেয়াজ, কাচা মরিচ র ধনে পাতা কুচি আধা কাপ

Wednesday, April 06, 2016

মজাদার আমসত্ত তৈরির পারফেক্ট রেসিপি

special bangla recipe/আমসত্ত
আমসত্ত

আমসত্ত হল এক খুবই মজাদার খাবার যার নাম শুনলেই জিভে পানি চলে আসে। এই আমসত্ত আমরা অনেকেই কিনে খাই আবার অনেকে তৈরি করে নিজেই কিন্তু পারফেক্ট হয় না। আবার কিনে খেলেও মন ভরে না। তাই আজ Special Bangla Recipe  আপনাদের জন্য নিয়ে এলো জিভে জল আনা মজাদার আমসত্ত তৈরির পারফেক্ট রেসিপি। খুব সহজেই তৈরি করা যায় এটি। তাহলে চলুন জেনে নিন রেসিপিটিঃ

উপকরণ:
*পাকা আম- প্রয়োজন মতো,
* চিনি- পরিমাণ মতো।

প্রনালী:
*পাকা আম ছিলে ব্ল্যান্ডারে ভালোভাবে ব্ল্যান্ড করে নিন।
*এবার চুলোতে প্যান গরম হয়ে এলে এতে ব্ল্যান্ড করা আমের রস দিয়ে জ্বাল করে ঘন করুন।
*থকথকে ঘন হয়ে এলে একটি ছড়ানো পাত্রে ঢেলে রোদে শুঁকোতে দিন। আপনি চাইলে চুলার নিচে রেখেও শুঁকাতে পারেন। তবে এতে টাইম লাগবে বেশি, একটানা ৪/৫ দিন চুলোর নিচে রেখে শুকাতে হতে পারে।
*শুঁকিয়ে গেলে নিজের পছন্দ মতো সেপে কেটে পরিবেশন করুন। এবং কাঁচের বয়ামে সংরক্ষণ করুন।

কাঁচা-পাকা আমের চাট

special bangla recipe/কাঁচা-পাকা আমের চাট
কাঁচা-পাকা আমের চাট


উপকরণ:

*কাঁচা আম – ১ বাটি (খোসা ফেলে পাতলা পাতলা করে কেটে নিতে হবে),
*শুকনা মরিচ + ধনিয়া + জিরা + মৌরি (টালি করে আধা বাটা করা),
* আঁখের গুড় – পরিমাণ মতো,
* লবন + বিট লবন - পরিমাণ মতো ,
*সরিষার তেল - পরিমাণ মতো.

প্রনালী:

**আম, ভাজা মসলা, গুড়, লবন, বিট লবন এবং সরিষার তেল এক সাথে চটকীয়ে মাখলেই তৈরি মজাদার আমের চাট।

Twitter delicious.com https://www.facebook.com/freebanglarecipe/?notif_t=page_fan Digg Stumbleupon Favorites More