Wednesday, May 18, 2016

মজার আনারস এর মোরব্বা

আনারস এর মোরব্বা

আনারস এর মোরব্বা

খুব অল্প উপাদান ও কিছু কৌশল অবলম্বন করে আপনিও ঘরেই তৈরি করতে পারেন মজার আনারস এর মোরব্বা
আনারস কাটার সময় মাঝ খানের শক্ত অংশ যেটা আমরা ফেলে দেই সেটা স্লাইস করে মোরব্বা বানানো হয়েছে।
খেতে কিন্তু দারুন লাগে।

আনারস এর মোরব্বা:

১ টা আনারস এর মাঝের অংশ তেরসা স্লাইস করাচিনি ৪ টেবিল চামচহলুদ ফুড কালার ২ ফোটাখাবার সোডা ১ চিমটিপানি ১ কাপ

সব একসাথে চুলায় দিয়ে জাল করুন।
পানি শুকিয়ে এলে সোডা দিয়ে নেড়ে নামিয়ে নিন।
বাতাসে বা রোদে শুকিয়ে নিলেই ঝরঝরে হয়ে যাবে।

Tuesday, May 17, 2016

হায়দ্রাবাদী মাটন বিরিয়ানি

হায়দ্রাবাদী মাটন বিরিয়ানি

হায়দ্রাবাদী মাটন বিরিয়ানি


আজকের রেসিপির নাম হায়দ্রাবাদি মাটন বিরিয়ানি। খাসির মাংস দিয়ে তৈরি হায়দ্রাবাদের বিখ্যাত বিরিয়ানি খুব সুস্বাদু এবং মজাদার। জেনে নিন কী কী উপকরণ লাগবে এই রেসিপিতে এবং কীভাবে তৈরি করবেন মুখরোচক হায়দ্রাবাদি মাটন বিরিয়ানি।


উপকরণঃ

খাসির মাংস এক কেজি,

বাসমতি চাল ৫০০ গ্রাম,

জিরা এক টেবিল চামচ,

গরম মসলা দুই টেবিল চামচ,

গরম মসলা গুঁড়া দুই টেবিল চামচ,

গোলাপজল এক টেবিল চামচ,

আদা-রসুন বাটা দুই টেবিল চামচ,

পেঁয়াজ বেরেস্তা দুই কাপ,

পুদিনা পাতা, টকদই দুই কাপ,

হলুদ গুঁড়া সামান্য,

মরিচ গুঁড়া,

অল্প জাফরান,

ধনিয়া পাতা সামান্য,

তেল পরিমাণমতো,

বাদাম ৫০ গ্রাম,

লবণ স্বাদমতো এবং 

সেদ্ধ ডিম দুটি সাজানোর জন্য।


প্রস্তুত প্রণালি:


খাসির মাংস ভালো করে ধুয়ে এর মধ্যে গরম মসলা, লবণ, আদা-রসুন বাটা, মরিচ বাটা ও টকদই দিয়ে মাখিয়ে মেরিনেটের জন্য সারারাত ফ্রিজে রেখে দিন।

প্রথমে পানি গরম করে এর মধ্যে তেল এবং লবণ দিয়ে চাল আধা সেদ্ধ করে নিন। এরপর একটি কড়াইয়ে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ বাদামি করে ভেজে নিন। এই ভাজা পেঁয়াজ থেকে কিছু পেঁয়াজ মেরিনেট করা মাংসে মিশিয়ে আলাদা রেখে দিন।

একটি কাপে গরম দুধের মধ্যে জাফরান মিশিয়ে আলাদা করে রাখুন। এখন অন্য একটি প্যানে মেরিনেট করা মাংস দিয়ে এর ওপর আধা সেদ্ধ চাল, পুদিনা পাতা, ধনিয়া পাতা এবং পেঁয়াজ বেরেস্তা সাজিয়ে দিন।

জাফরান গোলানো দুধ এর ওপর ছড়িয়ে দিন। প্যানের মুখ ভালো করে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৪৫ মিনিট রান্না করুন। রান্না হয়ে গেলে সামান্য গোলাপজল দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ফেলুন। পেঁয়াজ বেরেস্তা, বাদাম কুচি এবং সেদ্ধ ডিমের কুচি দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন দারুণ সুস্বাদু হায়দ্রাবাদি মাটন বিরিয়ানি।


নানা রকম হালুয়া

হরেক রকম হালুয়া 
♣♣ আমের হালুয়াঃ

যা লাগবে :
আমের রস দুই কাপ, চিনি এক কাপ, দুধ এক কাপ, কর্নস্টার্চ দুই টেবিল চামচ, ঘি দুই টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন :
পাত্রে ঘি গরম করে আমের রস দিন। কিছুক্ষণ নেড়ে দুধ দিয়ে আরও তিন থেকে ৪ মিনিট নেড়ে ঘন করে নিন। এবার চিনি দিয়ে নেড়ে চিনি গলিয়ে নিন। এখন কর্নস্টার্চ দিয়ে নামিয়ে মোল্ডে দুই থেকে তিন ঘণ্টা ফ্রিজে জমতে দিন। আমের টুকরো সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

♣♣ নিসাস্তার হালুয়াঃ

যা লাগবে :
নিসাস্তা চার কাপ, চিনি দুই কাপ, ঘি এক কাপ, ফুড কালার (সবুজ) এক টেবিল চা চামচ, জেলাটিন দুই টেবিল চামচ (ছোট কুচি করা), মিল্ক ফ্লেভার এক চা চামচ।

যেভাবে করবেনঃ
১ ঘণ্টা সুজি ভিজিয়ে রেখে হাত দিয়ে চটকে ছেঁকে নিলে যে পানি থাকে তাই নিসাস্তা। চুলায় মাঝারি আঁচে ঘিয়ে নিসাস্তা, চিনি, ফুড কালার ও পানি (এক থেকে দুই কাপ) দিন। মিশ্রণটি একটু গরম হলে ই জেলাটিন দিতে হবে এবং জেলাটিন গলে গেলে আর মিশ্রণটা একটু ঘন হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ফ্রিজে রাখুন। ২০ মিনিট সম্পূর্ণ মিশ্রণকে টুকরো করতে হবে এবং কিছু অংশ কুচি কুচি করে ছিটিয়ে দিতে হবে।

♣♣ কর্নফ্লাওয়ার এর হালুয়াঃ

যা লাগবে :
কর্নফ্লাওয়ার এক কৌটা, চিনি এক কাপ, পানি এক কাপ, ঘি এক কাপ, ভ্যানিলা পাউডার এক চা চামচ, গুঁড়া দুধ তিন থেকে চার কাপ, ফুড কালার (অরেঞ্জ)

যেভাবে করবেনঃ
কর্নফ্লাওয়ার, চিনি, গুঁড়াদুধ, ভ্যানিলা পাউডার একসঙ্গে মিশিয়ে চুলায় ঘি গরম হলে মিশ্রণটি দিয়ে নাড়তে হবে। পানি দিতে হবে নাড়া অবস্থায়। এবার অরেঞ্জ ফুড কালার দিতে হবে। যখন শক্ত হয়ে আসবে তখন চুলা থেকে নামিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে কেটে পরিবেশন করুন।

♣♣ বুটের ডালের হালুয়াঃ

যা লাগবে :
বুটের ডাল এক কাপ, ঘন দুধ/কনডেন্স মিল্ক এক কাপ, গরুর দুধ দুই কাপ, চিনি এক কাপ, ঘি এক থেকে দুই কাপ
দারুচিনি তিন থেকে চার চা চামচ, ফুড কালার ডার্ক রেড।

যেভাবে করবেনঃ
ডাল ধুয়ে তরল দুধে ভিজিয়ে রেখে সিদ্ধ করে ডাল বেটে নিতে হবে। দুই লেয়ারের কালারের জন্য এখন এ সিদ্ধ ডালটা দুই ভাগ করতে হবে এবং এক ভাগে ফুড কালার মিশিয়ে নিন। কড়াইতে ঘি দিয়ে এক ভাগ ডাল দিয়ে নাড়তে হবে। চিনি, ঘন দুধ সব আলাদাভাবে তৈরি করতে হবে দুই লেয়ারের জন্য। হালুয়া ঘন হয়ে এলে প্রথমে ফুড কালার ছাড়া হালুয়াটুকু ট্রেতে ঢালুন। পরে ফুড কালার দেয়ার ওপর ঢেলে নিন। এবার হাতে ঘি মেখে লম্বাভাবে ট্রেতে ছড়ানো হালুয়া রোল করে নিন। ২০ মিনিট ফ্রিজে রেখে ২০ মিনিট পর রোলটা গোল গোল করে কেটে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

♣♣ আলুর হালুয়াঃ

যা লাগবে :
আলু সিদ্ধ এক কেজি, চিনি দুই কাপ, মালাই তিন থেকে চার কাপ, মাওয়া দুই টেবিল চামচ, লবণ তিন থেকে চার চা চামচ, ঘি এক কাপ, ফুড কালার ডিপ অরেঞ্জ।

যেভাবে করবেন :
আলু সিদ্ধ করে বটে নিন। কড়াইতে ঘি দিয়ে অর্ধেক বাটা আলু দিয়ে নাড়তে হবে কিছুক্ষণ। এবার পর্যায়ক্রমে চিনি, মালাই, মাওয়া ও লবণ দিন। সব এক থেকে দুই ভাগ করে নিন। বাকি অর্ধেক হালুয়াও একইভাবে করতে হবে তবে ফুড কালার দিতে হবে। এখন আলুর হালুয়ার এক ভাগ বাটির মতো করে ভেতরে আর এক ভাগ গোল করে বসিয়ে দিন। তবারক দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।


♣♣লাচ্ছা সেমাই এর ২ রঙ হালুয়াঃ

যা লাগবে :
লাচ্ছা সেমাই এক প্যাক, দুধ এক লিটার, চিনি এক টেবিল চামচ, কনডেন্স মিল্ক তিন থেকে চার কাপ, রুহ আফজা দুই টেবিল চামচ, ফুড কালার রোজ পিঙ্ক।

যেভাবে করবেন :
প্রথমে দুধ জ্বাল দিয়ে একটু ঘন করতে হবে। অন্য দুই পাত্রে দুই ভাগে সেমাই রাখুন। জ্বাল দেয়া দুধ ও কনডেন্স মিল্ক ওই সেমাইয়ের ওপর সমানভাবে দুই ভাগে দিন। এক ভাগে রোজ পিঙ্ক কালার দিন, আর এক ভাগে রুহ আফজা দিয়ে দুই থেকে তিন মিনিট পর ১টার ওপর আর একটা সেমাই আসতে করে ঢেলে দিন এবং একটা চাপ দিয়ে বসিয়ে দিন।

চিকেন ভেজিটেবল বিরিয়ানি

 চিকেন ভেজিটেবল বিরিয়ানি

 চিকেন ভেজিটেবল বিরিয়ানি


শিশুরা সবজি খেতে চায় না। বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রঙের সবজি পাওয়া যায়। রঙ্গিন সবজি এবং মুরগির মাংস দিয়ে ঝটপট তৈরি করে ফেলুন চিকেন ভেজিটেবল বিরিয়ানি। এটা শিশুরা পছন্দ করবে।

উপকরণ:

 বাসমতি চাল ৫০০ গ্রাম
মুরগির মাংস ৫০০ গ্রাম
গাজর ১/২ কাপ
ব্রকলি ১/২ কাপ
ক্যাপসিকাম ১ কাপ ( লাল,সবুজ,হলুদ)
 আদা বাটা ১ টে চামচ
 রসুন বাটা ১ টে চামচ

চিকেন কর্ন সুপঃ

চিকেন কর্ন সুপ

উপকরণ:


মুরগির অর্ধেকটা (হাড়সহ)।

ভুট্টা আধা কাপ।

কর্নফ্লাওয়ার পরিমাণ মতো।

ক্যাপসিকাম ও আলু ইচ্ছা মতো।

পেঁয়াজ কাটা আধা কাপ।

ময়দা ২ টেবিল-চামচ।

চিকেন স্টক অথবা পানি পরিমাণ মতো।

লবণ স্বাদ মতো।

গোলমরিচ-গুঁড়া পরিমাণ মতো।

তেল ১ টেবিল-চামচ।

মাখন ১ টেবিল-চামচ।

ক্রিম ১ কাপ (ইচ্ছা)৷

পদ্ধতি:


মাংস কেটে একটু লবণ এবং গোলমরিচ ছিটিয়ে মাখিয়ে নিন৷ হাঁড়িতে তেল গরম হলে, মাংস দিয়ে হালকা ভেজে নিন৷ সঙ্গে ক্যাপসিকাম, আলু, পেঁয়াজ, ময়দা ও মাখন দিয়ে পাঁচ ছয় মিনিট ভেজে চিকেন স্টক অথবা পানি দিন আধা হাঁড়ি ভরে৷ এভাবে প্রায় ৪৫ মিনিট সুপ রান্না করুন৷

মাংস সিদ্ধ হয়ে গেলে সুপ থেকে তুলে হাড় থেকে মাংসগুলো ছিড়ে সুপের মধ্যে দিয়ে হাড় ফেলে দিন। শেষে ক্রিম, গোলমরিচ-গুঁড়া, লবণ যদি লাগে তা দিয়ে আরও ছয় সাত মিনিট রান্না করে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

পরিবেশনের আগে পছন্দ মতো কাঁচামরিচ-কুচি, ধনেপাতা, লেবু দিয়ে পরিবেশন করতে পারেন৷

আম দিয়ে আইসক্রিম বানানোর সহজ রেসিপি

special bangla recipe/ম্যাঙ্গো আইসক্রিম

ম্যাঙ্গো আইসক্রিম

আম যদি আরেকটু ভিন্ন উপায়ে, একটু বেশি স্বাদে খাওয়া যায়, মন্দ কী! রইলো আম দিয়ে আইসক্রিম বানানোর সহজ রেসিপি-

উপকরণ : 
তরল দুধ ২ কাপ, 
ঘন দুধ ১ কাপ, 
ফেটে নেয়া তিনটি ডিমের কুসুম, 
চিনি আধাকাপ, 
আইসিং সুগার ৩ টেবিল চামচ, 
কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, 
ক্রিম আধা কাপ, 
আমের রস এক কাপ।

প্রণালি : 
প্রথমে তরল দুধ, চিনি আর ডিম মিশিয়ে মাঝারি আঁচে জ্বাল দিতে হবে। এরপরে মোটামুটি ঘন হয়ে আসলে এতে কর্নফ্লাওয়ার মিশিয়ে আবার ফোটাতে হবে কিছুক্ষণ। ঠাণ্ডা হয়ে এলে বাটিতে ঢেলে ডিপ ফ্রিজে রাখুন। 
এক ঘণ্টা পর মিশ্রনটি বের করে এতে আমের রস, ঘন দুধ, আইসিং সুগার মিশিয়ে বিটার দিয়ে ভাল করে বিট করে আবার ফ্রিজে রেখে দিন। 
দুই ঘণ্টা পর আবার বের করে ক্রীম মিশিয়ে বিটার দিয়ে বিট করে আইসক্রিমের ছাঁচে ঢেলে ডিপে জমান। 
এবার ইচ্ছামতো সাজিয়ে পরিবেশন করুন ম্যাঙ্গো আইসক্রিম.



Monday, May 16, 2016

চকলেট হালুয়া তৈরির রেসিপি

Special Bangla Recipe/  চকলেট হালুয়া

চকলেট হালুয়া

যা যা লাগবেঃ

সুজি-- আধা কাপ
বেসন-- আধা কাপ
চিনি -- এক কাপ
ঘি -- আধা কাপ
কোকো পাউডার-- ২ টে চামচ
চকলেট সিরাপ-- ১ টে চামচ
জয়ফল/দারুচিনি গুঁড়া-- সামান্য
ডিম-- ৩টা
দুধ/পানি-- ২ কাপ

যেভাবে করবেনঃ

ডিম, কোকো পাউডার, চকলেট সিরাপ, চিনি ও পানি/দুধ এক সঙ্গে ভালোকরে ব্লেন্ড করতে হবে।
 কড়াইয়ে ঘি গরম করে সুজি ভাজতে হবে। সুজি বাদামী রং হলে বেসন দিয়ে নাড়তে থাকুন।
এরপর ব্লেন্ড করা মিশ্রণ ঢেলে দিন। পানি শুকিয়ে তেল ওপরে ভেসে উঠলে জয়ফল-দারুচিনি গুঁড়া ভালো করে মিশিয়ে চুলা থেকে নামাতে হবে।
ঠাণ্ডা হলে বাদাম বা কিসমিস দিয়ে সাজিয়ে সুন্দর একটি পাত্রে পরিবেশন করুন বিশেষ স্বাদে চকলেট হালুয়া।

বুন্দিয়া/মতিচূর লাড্ডুঃ

Special Bangla Recipe/  বুন্দিয়া/মতিচূর লাড্ডুঃ

বুন্দিয়া/মতিচূর লাড্ডু

যা প্রয়োজনঃ

বেসন-- ১/২ কাপ
বেকিং পাউডার-- ১/২ চা চামচ
তেল--ভাজার জন্য
লেমন ইয়েলো ফুড কালার-- সামান্য

সিরার জন্য লাগবে-
১ ১/২ কাপ পানি
১ ১/২ কাপ চিনি
এলাচ গুড়ো এক চিমটি

যেভাবে করবেনঃ

বেসন+বেকিং পাউডার+পানি ১/২ কাপ+ফুড কালার দিয়ে খুব ভালো ভাবে ব্যাটার বানিয়ে নিন।একটি কড়াইতে তেল দিয়ে ছিদ্র ছিদ্র ঝাঁজরি তেলের কড়াইয়ের উপর রেখে বুন্দিয়ার ব্যাটার অল্প ঢেলে ঘুরাবেন ,ফোঁটা ফোঁটা হয়ে পড়বে। এভাবে অল্প অল্প করে ভেজে রাখবেন।আর একটি হাঁড়িতে পানি আর চিনি দিয়ে সিরা করে সব বুন্দিয়া একসাথে ঢেলে দিয়ে মৃদু আঁচে নাড়বেন। মাঝে মাঝে ঠান্ডা পানি ছিটিয়ে দিতে হবে।বুন্দিয়ায় রস ঢুকে নরম হলে নামিয়ে অল্প ঠান্ডা করে ব্লেন্ডারে দিয়ে একটু ব্লেনড করে নিন। যেন বুন্দিয়া ভাঙে, কিন্তু মিশে হালুয়া না হয়ে যায়।তারপর বাদাম কুচি দিয়ে মাখিয়ে নিন।হাতে তেল বা ঘি মাখিয়ে লাড্ডুর শেইপ করে পরিবেশন করুন।

নোটঃ

বুন্দিয়া তৈরির আগে একটি বাটিতে পানি নিয়ে অল্প গোলা ফেলে দেখবেন। ভেসে উঠলে বুঝতে হবে গোলা ঠিক আছে, না হয় আর একটু পানি মেশাবেন।

সুজি গাজরের হালুয়া

Special Bangla Recipe/সুজি গাজরের হালুয়া

সুজি গাজরের হালুয়া

যা যা লাগবেঃ

ঘিয়ে ভাজা সুজি- ১/৪ কাপ
দুধ- ২ লিটার
গ্রেটেড গাজর- ২ টি
ঘি - ২ টে চামচ
এলাচ ৪/৫ টি
দারচিনি- ১ টুকরা
তেজপাতা- ১ টি
কাজুবাদাম গুড়া করা- ৩/৪ টে চামচ
চিনি- দেড় কাপ

যেভাবে করবেন :

তেজপাতা, এলাচ দারচিনি দিয়ে দুধ জাল করে কিছুটা ঘন করে নিন।
এবার তেজপাতা ইত্যাদি উঠিয়ে সুজি, গাজর,বাদাম দিন।সেদ্ধ হয়ে গেলে চিনি দিন।
পছন্দমতো ঘন করে নামিয়ে পরিবেশন করুন। 

কাজু বাদামের বরফি

Special Bangla Recipe/কাজু বাদামের বরফি


কাজু বাদামের বরফি 

উপকরণ: 

কাজু বাদাম অথবা পেস্তা বাদাম ২ কাপ ,
 চিনি স্বাদমত,
গুড়া দুধ ৪ টেবিল চামচ,
১ কাপ তরল দুধ

প্রনালী: 

কাজু বরফি অথবা পেস্তা বরফি বানাতে চাইলে, বাদাম ভিজিয়ে রাখুন আগের দিন রাতে, এতে বাদাম পেষ্ট করতে সুবিধা হবে এবং মিহি হবে, বাদাম ভাল মত না ভিজলে পেষ্ট দানা দানা হবে।
এবার অল্প আচে কড়াই গরম করুন, কড়াই গরম হয়ে গেলে, বাদাম পেষ্ট ঢালুন এবং নাড়তে থাকুন।
২-৩ মিনিট পর তরল দুধটুকু ঢেলে দিন এবং নাড়তে থাকুন। ৫ মিনিট পর গুড়া দুধ ঢেলে দিন এবং ভালো করে নাড়তে থাকুন যেন তলায় না লেগে যায়।
এবার চিনি দিয়ে আবার নাড়তে থাকুন। কিছুক্ষন পর বাদাম পেষ্ট আঠালো হয়ে কড়াই থেকে আলাদা হয়ে আসলে চুলা বন্ধকরে দিন এবং অপেক্ষা করুন ঠান্ডা হওয়ার জন্য।
ঠান্ডা হয়ে গেলে এলুমিনিয়াম ফয়েল সমান করে রাখুন এবং বরফি কাটুন। কিছুক্ষন ফ্রিজে রাখলে ভালো হয়, এতে করে বরফিগুলোএকটু শক্ত হবে। আপনার বানানো বরফি এবার পরিবেশন করুন। 

জামের হালুয়া

Special Bangla Recipe/জামের হালুয়া

জামের হালুয়া


উপকরণ: 

জাম ১ কাপ,
পানি ১ কাপ,
কর্নফ্লাওয়ার ১ কাপ,
চিনি দেড় কাপ,
এলাচ গুঁড়া সামান্য,
বাদাম পছন্দমতো,
ঘি সিকি কাপ।

প্রণালি: 

জাম পানিতে সেদ্ধ করে ছেঁকে নিতে হবে। জামের পানির সঙ্গে কর্নফ্লাওয়ার, চিনি, এলাচ গুঁড়া ও বাদাম মিশিয়ে ঘিতে ভেজে নিতে হবে৷
গরম অবস্থায় পাত্রে ঢেলে দিতে হবে। ঠান্ডা হলে কেটে পরিবেশন করতে হবে।

লাচ্ছা সেমাই এর বরফি

special bangla recipe/ লাচ্ছা সেমাই এর বরফি


 লাচ্ছা সেমাই এর বরফি

এটা লাচ্ছা সেমাই এর বরফি। নাড়বার ঝামেলা নেই। সহজেই বানানো যায়। আর খেতে দারুণ ইয়াম্মি।

উপকরণ:

লাচ্ছা সেমাই - ১ প্যাকেট
দুধ - ৩ লিটার ( জাল দিয়ে ১লিটার করতে হবে)
ফেটানো ডিম - ২টি
চিনি - ১/২কাপ
এলাচ - ৪টি
দারুচিনি - ২টি
ঘি - ৪টেবিল চামচ
পেস্তাবাদাম - ইচ্ছামত ( সাজানোর জন্য)

যেভাবে করবেন :

এলাচ ও দারুচিনি দিয়ে দুধ জাল করে ১লিটার করতে হবে।
 এবার চিনি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে ফেটানো ডিম দিয়ে নাড়তে থাকুন।
আবার চুলায় বসিয়ে আরো কিছুক্ষণ নাড়ুন।
চুলা থেকে নামিয়ে দুধে সেমাই দিন।
 ঠান্ডা হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।
 ইলেকট্রিক ওভেনে বসানোর জন্য ট্রেতে ঘি মেখে সেমাই সমানভাবে বিছিয়ে দিন।
এবার প্রিহিটেড ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ৩০ মিনিট বেক করুন।
 ঠান্ডা করে কেটে নিন ।

গুড়ের পায়েসের রেসিপি

special bangla recipe/গুড়ের পায়েসের রেসিপি

গুড়ের পায়েস

অনেক দিন পরে আপনাদের জন্য Special Bangla Recipe ভিন্ন ধরণের রেসিপি।আজ আপনাদের জন্য রয়েছে গুড়ের পায়েসের রেসিপি। দেখে নিন রেসিপিটি।

উপকরণ :
. দুধ দেড় লিটার,
 আতপ চাল আধা কাপ,
. গুড় দেড় কাপ(ছোট ছোট করে কাট‍া),
 চিনি স্বাদমতো,
. লবণ ১ চিমটি,
৬. তেজপাতা, এলাচ ও দারুচিনি ১টি করে।

প্রণালি :
চাল ১০ মিনিট পানিতে ভিজিয়ে রেখে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে।
 এবার একটি পাত্রে দুধ জ্বাল দিন। দুধ ফুটে উঠলে লবণ, চিনি ও চাল দিয়ে ভালো করে নাড়তে হবে। সব উপকরণ আস্তে আস্তে মেশাতে হবে আর নাড়তে হবে।
 চাল ভালোভাবে সিদ্ধ হয়ে আসলে আগে থেকে ছোট করে কেটে রাখা গুড় মিশিয়ে দিতে হবে আস্তে আস্তে।
 এবার নামিয়ে ঠাণ্ডা করে একটি পাত্রে এক টুকরা খেজুরের গুড় দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

Thursday, May 05, 2016

সুস্বাদু ও স্বাস্থকর অসাধারণ সবজি বিরিয়ানি

 কমবেশি সকলেরই বিরিয়ানির প্রতি এক ধরণের টান রয়েছে। কিন্তু বিরিয়ানি বলতেই যে শুধু মাংসের বিরিয়ানি হবে এমন কোনো কথা নেই। যারা সবজি খেতে পছন্দ করেন না তারা এই সবজি বিরিয়ানি খেয়ে দেখতে পারেন। মাংসের বিরিয়ানি থেকে কোনো অংশেই কম নয়। আর তৈরি করতে খুব কম ঝামেলা ও সময় লাগে বলে খুবই সহজে তৈরি করে নিতে পারেন এই সুস্বাদু ‘সবজি বিরিয়ানি’। চলুন তাহলে শিখে নেয়া যাক খুব সহজ রেসিপিটি।


  সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর সবজি বিরিয়ানি 

উপকরণঃ

 নিজের পছন্দের সবজি ২ কাপ (আলু, গাজর, বরবটি, মটরশুঁটি, ফুলকপি ইত্যাদি)
 আধা কাপ দই
 ১ কাপ পেঁয়াজ কুচি
 ২ টেবিল চামচ আদা বাটা
 ১ চা চামচ রসুন বাটা
 পেঁয়াজ বাটা ১ চা চামচ
 ৩/৪ টা এলাচি
 আধা চা চামচ জায়ফল
 ২/৩ টা দারুচিনি
৩/৪ টা লবঙ্গ
 ২ -৩ টা তেজপাতা
 তেল প্রয়োজনমতো
 লবণ স্বাদমতো
 ২ কাপ পোলাওয়ের চাল বা বাসমতী চাল
 কাঁচা মরিচ ১০/১২ টি
 আধা কাপ বেরেস্তা
 ২/৩ চা চামচ ঘি

পদ্ধতিঃ

সবজির সাথে সব মশলা জাতীয় উপকরণ এবং দই ভালো করে মিশিয়ে নিন। মাংস যেভাবে মেরিনেট করেন সেভাবে মেরিনেট করবেন কিন্তু সবজি যাতে ভেঙে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন।

এরপর অল্প পানি দিয়ে আধা সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করে নিন। খুবই হালকা ঝোল রাখবেন এবং সবজি আধা সেদ্ধ করবেন, পুরো সেদ্ধ করবেন না এভাবে নামিয়ে রাখুন চুলা থেকে।

 একটি বড় পাতিলে তেল দিয়ে গরম করে এতে চাল ধুয়ে দিয়ে সামান্য লবণ দিয়ে নেড়ে চাল একটু ভেজে নিন। এরপর এতে পরিমাণমতো পানি দিয়ে দিন এবং চালের পানি শুকানো পর্যন্ত বেশী আঁচে রান্না করতে থাকুন।

 চাল পৌনে সেদ্ধ হয়ে এলে পাতিলের উপর থেকে খানিকটা চাল নামিয়ে তারপর রান্না করা সবজি দিয়ে তার উপরে নামিয়ে রাখা চাল দিয়ে ঢেকে নিন। এর উপরে দিন কাঁচামরিচ ও পেঁয়াজ বেরেস্তা।

এরপর পাতিল সরাসরি চুলায় না দিয়ে নিচে একটি তাওয়া দিয়ে দিন। অর্থাৎ দমে বসিয়ে ঢাকনা দিয়ে ভালো করে ঢেকে রান্না করতে থাকুন। পুরোপুরি চাল সেদ্ধ হয়ে এলে উপরে ২/৩ চামচ ঘি ছড়িয়ে নামিয়ে ঢেকে রাখুন।

 এরপর ২ মিনিট পর গরম গরম পরিবেশন করুন সুস্বাদু ও স্বাস্থ্যকর মজাদার ‘সবজি বিরিয়ানি’।

টক-ঝাল-মিষ্টি চটপটি তৈরির সহজ রেসিপিঃ

special bangla recipe/টক-ঝাল-মিষ্টি  চটপটি

টক-ঝাল-মিষ্টি  চটপটি 

ছোট/বড় সবাই চটপটি খেতে পছন্দ করে।চটপটির নাম শুনলেই জিভে জল এসে যায়।বাইরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ধূলাবালি যুক্ত চটপটি না খেয়ে ঘরে তৈরী করুন ছোট/বড় সবার পছন্দের সু-স্বাদু চটপটি। তাই দেখে নিন কিভাবে ঘরে তৈরী করা যায় ছোট/বড় সবার পছন্দের চটপটি রেসিপি।

উপকরণঃ

✿ কাবলি বুট ১/২ কেজি

✿ বেকিং পাউডার ১ চা চামচ

✿ লবণ পরিমাণমতো

✿ পানি পরিমাণমতো

✿ আলু ৪টা (সেদ্ধ)

✿ পেঁয়াজ কুচি ৪ টেবিল চামচ

✿ ধনেপাতা কুচি ২ টেবিল চামচ

✿ কাঁচামরিচ কুচি ২টা

✿ চটপটির মশলা ২ টেবিল চামচ

✿ লেবুর খোসা ১ চা চামচ

✿ ডিম সেদ্ধ ১টা

✿ বিট লবণ সিকি চা চামচ

✿ তেঁতুলের কাত্থ ১ কাপ

✿ ভাজা মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ

✿ লবণ পরিমাণমতো

✿ ভাজা জিরা গুঁড়া আধা চা চামচ

✿ বিট লবণ সামান্য

✿ পানি পরিমাণমতো

প্রস্তুত প্রণালী:

কাবলি সারা রাত ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে বেকিং পাউডার, লবণ ও পরিমাণমতো পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। ইচ্ছা করলে সামান্য জর্দার রঙ দিতে পারেন। এবার সেদ্ধ আলু গ্রেট করে নিন। এবার একটা বাটিতে সেদ্ধ কাবলি দিয়ে এর সঙ্গে আলু, পেঁয়াজ কুচি, ধনেপাতা কুচি, কাঁচামরিচ কুচি, লেবুর খোসা, চটপটির মশলা দিয়ে একসঙ্গে চামচ দিয়ে মেখে নিন। এবার মশলা মেশানো তেঁতুলের পানি দিয়ে নেড়ে উপরে কয়েকটা ফুচকা ভেঙে দিন। সবার উপর স্লাইস করা ডিম দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার চটপটি।

Monday, May 02, 2016

Add caption

সুস্বাদু জিবে পানি আনা আমের মোরব্বাঃ

আমের মোরব্বা
আমের মোরব্বাঃ

উপকরণঃ

★ বড় কাঁচা আম ৭-৮টি,
★ চিনি দেড় কেজি, অথবা আপনার ইচ্ছানুযায়ী
★ ফিটকিরি গুঁড়া ১ চা চামচ
★ তেজপাতা ২টি,
★ এলাচ ১ টুকরা,
★ চুন ভেজানো আধা চা চামচ।
★ পানি পরিমাণমতো

 প্রস্তুত প্রণালিঃ

আম ভালো করে ধুয়ে নিন। এরপর খোসা ছাড়িয়ে প্রতিটি আমের ২ টুকরা করে নিন।

Wednesday, April 20, 2016

সুস্বাদু ২0 পদের ভর্তা !

special bangla recipe/সুস্বাদু ২0 পদের ভর্তা
সুস্বাদু ২0 পদের ভর্তা  
বাঙ্গালীদের কাছে ভর্তা অনেক জনপ্রিয় একটা খাবার। ভর্তা কথাটা শুনলে জিভে জল চলে আসে না এমন মানুষ খুজে পাওয়া বেশ কঠিন। আমরা সবাই কম বেশি ভর্তা বানাতে জানি। নিচে ২0 পদের মজাদার ভর্তার রেসিপি দেয়া হল।

♣ বেগুন ভর্তা:
উপকরণ: বড় গোলবেগুন ১টি, সরিষা বাটা ১ চা চামচ, নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ, টমেটো কুঁচি১ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ, মেথি আধা কাপ, রাধুনী সরিষার তেল ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা, নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে নিতে হবে।

♣ মসুর ডালের ভর্তা:
উপকরণ: মসুর ডাল ১ কাপ, পানি ৩ থেকে সাড়ে ৩ কাপ, রসুন কুঁচি আধা চামচ, পেঁয়াজ কুচি ১ চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ, কাঁচামরিচ ফালি ২টি, তেল ১ চা চামচ।
প্রণালী: সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।

♣ টমেটো ভর্তা:
উপকরণ: ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী: শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে। ঠা-া হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস, ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।

♣ টাকি মাছের ভর্তা:
উপকরণ: টাকিমাছ ১ কাপ,পেঁয়াজ,সøাইস ৩ টে.চা ,আদা,রসুন,বাটা ১ চা. চা,পেঁয়াজ পাতা ২ টে. চা ,জিরা,বাটা ১ চা. চা,রসুন,ছেঁচা ২ টে. চা,ধনে,বাটা ১ চা. চা ,লবণ,স্বাদ অনুযায়ী,হলুদ,বাটা ১/২ চা. চা ,মরিচ,বাটা ১ /২ চা. চা
প্রণলী: মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১ কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে নেড়ে নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ হালুয়ার মতো তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং শুকনা না হয়।এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।

♣ কালিজিরা ভর্তা:
উপকরণ: কালিজিরার আধা কাপ, রসুনের কোয়া ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৮টি, পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালী: রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে ভর্তা করুন।

♣ আলু ডিম ভর্তা :
উপকরণ: ডিম ২টি, আলু ১টি (মাঝারি সাইজের), কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুঁচি ১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন। খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন।

♣ পালংশাক ভর্তা:
উপকরণঃ পালংশাক ২০০ গ্রাম , কাঁচা মরিচ/ শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি পেয়াজ কুচি ২ টেবিল চামচ। লবণ ও সরিষার তেল -নিজের পছন্দ মত।
প্রণালীঃ প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি, মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন। তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে পরিবেশন করুন। শীতের দিনে গরম গরম ভাতের সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।

♣ লাউশাক ভর্তা:
উপকরণ: লাউয়ের পাতা ৬-৭টা, নারকেল কুড়ানো ৪ চা চামচ, সরিষা ২ চা চামচ, সেদ্ধ কাঁচামরিচ ২টা, প্রয়োজনমতো লবণ।
প্রণালী: লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন। শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার নারকেল কুড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

♣ কাচকি মাছ ভর্তা
উপকরণ: কাচকি মাছ এক কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, রসুন কুচি ২ চা চামচ, কাঁচামরিচ ৪টি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ, পেঁয়াজ কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প তেলে কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন। ভাজা হলে লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে পাটায় বেটে ভর্তা তৈরি করুন।

♣করল্লার ভর্তা:
করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে নিন। এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে পেঁয়াজ, কাচা মরিচ, লবন এবং তেল দিয়ে ভর্তা তৈরি করুন।

♣ ছুরি শুঁটকি ভর্তা :
উপকরণ: ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া ২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ চার টুকরা করে কাটা ৬টি।
প্রণালী: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।

♣ ধনেপাতার চাটনি:
উপকরণ: টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন ২ কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ। কাঁচামরিচ ১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা, রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন। সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।

♣ সরিষা ভর্তা:
উপরকণ: লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায় বেটে নিন।

♣ কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা:
উপকরণ : কাঁচকলা ২টি (মাঝারি), ভাজা ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো), শুকনো মরিচ ভাজা ২টি, কাঁচামরিচ কুচি ২টি, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২ চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন। এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে কাঁচকলা দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন করুন।

♣ কচু নারকেল ভর্তা:
উপকরণ : কচু কিমা ১ কাপ, নারকেল বাটা আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি, সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি অল্প পরিমাণ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : প্রথমে এক টুকরো কচুকে পুড়িয়ে বা সেদ্ধ করে ভালো করে মাখিয়ে কিমা তৈরি করুন। একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে বাদামি করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও নারকেল বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল ভর্তা।

♣ থানকুনি পাতার ভর্তা:
উপকরণ : থানকুনি পাতা ১ কাপ, কাঁচামরিচ ২টি, রসুনের কোয়া ২টি, লবণ স্বাদ মতো, তিল ২ টেবিল চামচ, কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালি : সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।

♣ পেঁয়াজ পাতা ভর্তা:
উপকরণ: ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ পাতা ২ কাপ,সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ,পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,শুকনামরিচ ২টি,কাশুন্দি ১ চা চামচ,লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে দিয়ে অল্প আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন। পেঁয়াজপাতা নরম হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার শুকনামরিচ, পেঁয়াজ কুচি ও লবণ ভালোভাবে ডলে পেঁয়াজ পাতা ও কাশুন্দি দিয়ে হালকাভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন। গরম ভাতের সাথে এই ভর্তা খেতে মজা ।

♣ লাউ এর সিলকা ভর্তা :
উপকরণ: লাউ এর সিলকা-৩ কাপ, শুকনা মরিচ পোড়ানো-৪/৫টি, লবণ-পরিমাণ মতো, ধনে পাতা-সিকি কাপ, পিঁয়াজ কুচি-সিকি কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ, পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল লাউ এর সিলকা ভর্তা।

♣ চিনাবাদাম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া) ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ ৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি, সরিষার তেল ১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে। কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা যায়।

♣ মিষ্টি কুমড়ার ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ, লবণ পরিমাণমতো, পানি ১ কাপ, ধনেপাতা কুঁচি, ২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।
প্রণালী: মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন। এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। হয়ে গেল মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

Tuesday, April 19, 2016

খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু

খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু
খেজুর গুড়ের নারিকেল নাড়ু

উপকরণ:

নারিকেল আধাবাঁটা ২ কাপ,
 খেজুর গুড় ৪ কাপ, 
ঘি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালী:

প্যানে ঘি দিন। যাতে নারিকেল দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তলায় ধরে না যায়। এরপর আস্তে আস্তে নারিকেল ঢেলে দিন। এরপর গুড় দিন। একদিকে নাড়তে থাকুন, একটু পর গুড় গলে আসবে এবং নারিকেল পাক ধরবে। আঠালো ভাব ও সুন্দর গন্ধ বের হলে নামিয়ে ফেলুন। গরম থাকা অবস্থায় নাড়ুর আকার বানিয়ে পরিবেশন করুন।

শুধুমাত্র ১০ মিনিটেই তৈরি করুন সুস্বাদু চকলেট কেক

  special bangla recipe চকলেট কেক
 চকলেট কেক
বাসায় মেহমান আসবে, এদিকে খাওয়ানোর কিছু নেই। না, দৌড়ে দোকানে যেতে হবে না। হাতের কাছে মজুদ কয়েকটি জিনিস দিয়ে মাত্র ১০ মিনিটেই আপনি তৈরি করে ফেলতে পারবেন দারুণ সুস্বাদু চকলেট কেক, তাও চকলেট টপিং সহ! হ্যাঁ, শুনতে ম্যাজিকের মত শোনালেও এটা আসলে সম্ভব বিনা কষ্টেই। একদম নরম, মোলায়েম আর চকলেটি হবে আপনার এই ১০ মিনিট চকলেট কেক!

উপকরণ:

 ১ কাপ চিনি
 ২ কাপ ময়দা
 ২ চা চামচ বেকিং পাউডার
 ১/৪ কাপ কোকো পাউডার
 ২ টা ডিম
 ৩/৪ কাপ দুধ
 ১২৫ গ্রাম মাখন
ওপরে টপিং এর জন্য লাগবে- ভালো কোন ব্র্যান্ডের চকলেট সস

প্রণালি:

একটি ব্লেন্ডার নিন। তারপর এতে মাখন ও ডিম দিয়ে খুব ভালো করে বিট করুন এক মিনিট।
চিনি যোগ করুন এবং আরও ১ মিনিট বিট করুন।
এই ফাঁকে সমস্ত শুকনো উপাদান মিশিয়ে নিন। চালনি দিয়ে চেলে নিন।
এবার বিট করা ডিমের মিশ্রণ শুকনো উপাদানের সাথে মিশিয়ে দিন।
মাইক্রোওয়েভ ওভেনে দিতে পারবেন এমন কোন ছড়ানো ডিশে মাখন মাখিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে নিন। কেকটা খুব বেশী পাতলা হবে না, একটু পুরু রাখবেন।
এবার হাই হিটে ৭ থেকে ৮ মিনিট বেক করুন। বের করে টুথপিক দিয়ে চেক করে দেখুন হয়েছে কিনা। নাহলে আরও ৩০ সেকেন্ড থেকে ১ মিনিট দিন। অবশ্য এই কেক ভেতরে একটু নরম থাকলেই খেতে ভালো লাগে বেশী।
কেক বের করে ঠাণ্ডা হতে দিন কিছুক্ষণ। তারপর হালকা গরম থাকতেই ফ্রিজে রাখা ঠাণ্ডা চকলেট সিরাপ ছড়িয়ে দিন। এতে কিছু সিরাপ কেকের ভেতরে ঢুকে যাবে আর আপনার কেক্কে করে তুলবে অসাধারণ মজার।
আপনি চাইলে কেকের ওপরে ব্যবহার করতে পারেন গলিত চকলেট বা চকলেট ক্রিম। কেক সাজানোর জন্য ব্যবহার করুন কলা, চেরি বা আপনার পছন্দের যে কোন ফল ও বাদাম।

Thursday, April 07, 2016

রসুনে তিতা করলা

রসুনে তিতা করলা

উপকরণঃ

 করলা ৩,৪টি।

আলু ২টি।

মাঝারি আকারের পেঁয়াজকুচি ১ কাপ।

রসুনকোয়া ১০,১২টি (মাঝখানে কেটে ভাগ করে নিন)।

 হলুদগুঁড়া সামান্য।

 লবণ স্বাদ মতো।

 তেল ১/৪ কাপ।

 কাঁচামরিচ ৪,৫টি।

পদ্ধতি:

করলা কেটে লবণ মাখিয়ে রেখে, ৩০ মিনিট পর ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। আলু কেটে নিন। প্যানে তেল, রসুন দিয়ে বাদামি করে ভাজুন। এতে পেঁয়াজকুচি, করলা, আলু, হলুদ আর লবণ দিন। ভাজা ভাজা হলে নামিয়ে নিন।

গরমে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা বাঙ্গির শরবত তৈরির সহজ রেসি

ঠাণ্ডা বাঙ্গির শরবত

উপকরণ:

বাঙ্গির ২ কাপ (কিউব করে কাটা)
চিনি ১ টেবিল চামচ
লেবুর রস ১ চা চামচ
বরফ কিউব পরিমাণমতো
বিট লবণ এক চিমটি ( না দিলেও
বরফ কুচি (পরিবেশনের জন্য)
পুদিনা পাতা (ইচ্ছা)

মজাদার চিকেন ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং তৈরির সহজ রেসিপিঃ

চিকেন ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং


মুরগির মাংসে তৈরি ফ্রাই, কারী, নুডলস খেতে খেতে বিরক্তি এসে গেলে তৈরি করতে পারেন খুব অন্যরকম একটি খাবার, ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং। দেখতে যেমন অসাধারণ, তেমনি খেতেও দারুণ। আর তেলে ভাজা হয় না বলে দারুণ স্বাস্থ্যকরও বটে!চলুন দেখে নেই বিস্তারিত রেসিপিটিঃ

উপকরণঃ

 মুরগির মাংসের কিমা এক কাপ
  পৌনে এক কাপ চাল, পানিতে ৩-৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে এরপর পানি ঝরিয়ে রাখা
 লবণ স্বাদমতো
 গোলমরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো
  সয়াসস দেড় চা চামচ
  ২-৩ টা পিঁয়াজকলি কুচি করা
  এক চা চামচ আদা কুচি
  এক চা চামচ রসুন কুচি
 কয়েকটা লাল কাঁচামরিচ কুচি

প্রণালীঃ

△  প্রথমে একটি পাত্রে চাল বাদে বাকি সব উপকরণ একসাথে মিশিয়ে নিন। ঝাল খেতে চাইলে কয়েকটা মরিচ দিন। নয়তো একটি মরিচের কুচিই যথেষ্ট।

△ একটি ছড়ানো প্লেটে ভেজা চালগুলো ঢেলে নিন। এরপর কিমার মিশ্রণ দিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে সেগুলো চালে গড়িয়ে নিন। তৈরি হলো ডাম্পলিং।

△ এরপর আপনার স্টিমার বা ভাপ দেবার পাত্র ঠিক করুন। কিমার বলগুলোকে রাখার আগে ঝাঁঝরির ওপর কয়েকটা বাঁধাকপির পাতা রেখে নিতে পারেন তাতে এগুলো পাত্রের গায়ে লেগে যাবে না। ৬-৮ মিনিটের জন্য ভাপে দিয়ে রাখুন ডাম্পলিংগুলোকে।

△ ভাপ দেওয়া হলে নামিয়ে চাটনির সাথে পরিবেশন করুন ধবধবে সাদা ফুলের মতো চিকেন ফ্লাওয়ার ডাম্পলিং।

মজাদার ও সুস্বাদু মেয়নিজ তৈরির সহজ রেসিপিঃ

special bangla recipe/সুস্বাদু মেয়নিজ

সুস্বাদু মেয়নিজ

উপকরণ:

ডিম ২ টা,
ভেজিটেবল ওয়েল বা অলিভ ওয়েল ১ কাপ ( এর মধ্যে ১ টে- চামুচ সরিষার তেল হবে ),
লবন সামান্য,
চিনি ১ চা- চামুচ,
সাদা সরিষাবাটা আধা চা- চামুচ,

সুস্বাদু মজাদার ডিমের লেয়ার পুডিং তৈরির সহজ রেসিপিঃ

special bangla recipe/ডিমের লেয়ার পুডিং

ডিমের লেয়ার পুডিং 

পুডিং নিঃসন্দেহে একটি মজাদার খাবার। বিকালের নাস্তার বা বাচ্চাদের টিফিনে ডিমের পুডিং জনপ্রিয়। বাচ্চারা ডিম খেতে না চাইলে ডিমের পুডিং বানিয়ে দিলে মজা করে খায়। ফলে ডিমও খাওয়া হয়ে যায়। আপনার পছন্দের এই ডিমের পুডিং কে আরো মজাদার করার জন্য আজ একটি নতুন রেসিপি নিয়ে এসেছি। লেয়ার পুডিং !এখানে তিনটা লেয়ার দেখানো হলো। আপনি চাইলে আরো কম বেশি করে নিতে পারেন নিজের সুবিধা মতো।

উপকরণ :

ডিম ৪টি।
চিনি ১ কাপ।
পানি ১ কাপ।
ফুড কালার( ইচ্ছানুযায়ী কয়েক কালার নিতে পারেন)।
কেরামেল ১ টেবিল-চামচ।
গুঁড়া দুধ ১ কাপ।
ভ্যানিলা এসেন্স কয়েক ফোটা


প্রস্তুত প্রণালি: 

ডিম, চিনি, পানি ভ্যানিলা এসেন্স ও গুঁড়া দুধ একসঙ্গে ৫ মিনিট বিট করে নিন।বিট করার পর মিশ্রণটি ৩টি আলাদা পাত্রে রাখুন।এখানে তিনটি লেয়ার করা হয়েছে তাই তিনটি পাত্রে আলাদা করে রাখা হয়েছে।আপনি যে কয়টা লেয়ার দিতে চান ততোটা পাত্রে আলাদা করে ভাগ করে রাখবেন।

প্রতিটি পাত্রের মিশ্রণের সঙ্গে একেকটা ফুড কালার মেশান। ২ থেকে ৩ মিনিট কাঁটা-চামচ দিয়ে নেড়ে নিন।যে পাত্রে পুডিং জমাবেন সেই পাত্রে চিনি এবং অল্প ঘি ছিটিয়ে ১ মিনিট চুলায় বসিয়ে ক্যারামেল তৈরি করে নিন।এই পাত্রে প্রথমে ভাগ করে রাখা মিশ্রণ হতে একটি পাত্রের মিশ্রণ ঢেলে দিন। একে চুলায় বসিয়ে ১০ মিনিট ডাবল স্টিম করুন।

পুডিং তৈরি হয়ে গেলে এরপর অন্য পাত্রের মিশ্রণটি হয়ে যাওয়া পুডিংয়ের উপর দিয়ে আবারও স্টিম করুন ১০ মিনিট।এভাবে একটা একটা করে প্রতিটা লেয়ার তৈরি করে নিন।সব লেয়ার হয়ে গেলে পুডিং ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

টিপসঃ

চুলায় স্টিম করতে একটি বড় পাত্রের মধ্যে পানি দিয়ে এর মধ্যে স্টিলের একটি স্ট্যান্ড বসবেন। স্ট্যান্ডের উপর পুডিং এর পাত্র বসাবেন।এরপর চুলা জ্বলিয়ে দিবেন। পুডিং পাত্রের মুখ ভালো করে বন্ধ করে নিবেন তাহলে কম সময়ে পুডিং তৈরি হয়ে যাবে।

স্বাদে ভিন্নতা আনতে চাইলে আপনি চকলেট সিরাপ বা বিভিন্ন ফ্লেভার এ্যাড করতে পারেন প্রতিটা লেয়ারে।
বাচ্চাদের খাবার জন্য ইম্প্রেস করতে চাইলে এভাবে কয়েকটা লেয়ার করে রেইনবো বানাতে পারেন।

Twitter delicious.com https://www.facebook.com/freebanglarecipe/?notif_t=page_fan Digg Stumbleupon Favorites More